mares-virus
ফাইল ছবি

দক্ষিণ কোরিয়ায় শুক্রবার আরো দু’জনের দেহে মার্স ভাইরাস ধরা পড়েছে। এই নিয়ে দেশটিতে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৯ জনে।

২০ মে সৌদি আরব থেকে ৬৮ বছর বয়সী এক লোক দেশে ফেরার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার দেহে এই ভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর অন্যদের দেহে এই রোগ সংক্রমণের কথা জানা যায়।

chardike-ad

মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (মার্স) ভাইরাসটি প্রাণঘাতী হলেও সমগোত্রীয় সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (সার্স) ভাইরাসের চেয়ে কম মারাত্মক।

২০০৩ সালে সার্স ভাইরাস এশিয়ায় প্রথম দেখা দেয় এবং এরপর এই রোগে আক্রান্ত হয়ে কয়েকশ’ মানুষ প্রাণ হারায়। এদের অধিকাংশই চীনের বাসিন্দা।

রোগ দুটির লক্ষণ প্রায় একই। এতে সারা শরীরে সর্দি কাশির মতো ব্যথা থেকে শুরু করে নিউমনিয়ার দেখা দিতে পারে। এমনকি এর ফলে কিডনীও বিকল হয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ৩০ বছর বয়সী এক নার্স ও ৫৬ বছর বয়সী এক পুরুষ সর্বশেষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রথম রোগী যে হাসপাতালে ছিলেন নার্সটি ওই হাসপাতালেই কাজ করেন। আর লোকটিও অন্য একটি রোগে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি হন।

খবর এএফপি’র।

মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, প্রায় ১২০ জনকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে এদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংযোগ ঘটেছে।

২০টি বেশি দেশের বাসিন্দা মার্স ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এদের অধিকাংশই সৌদি আরবের বাসিন্দা। দেশটিতে ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪ শতাধিক লোক এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।