যুক্তরাষ্ট্রের ‘আন্তর্জাতিক সাহসী নারী’ পুরস্কার পাচ্ছেন জুলাই-আগস্টের সাহসী নারীরা

 

chardike-ad

 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘আন্তর্জাতিক সাহসী নারী’ পুরস্কার পেয়েছে জুলাই-আগস্ট বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী একদল সাহসী নারী। বাংলাদেশের সাহসী নারীরা ‘মেডেলিন অলব্রাইট অনারারী গ্রুপ’ পুরস্কার পেয়েছে। উল্লেখ্য, মেডেলিন অলব্রাইট ৯০ দশকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্র সময় শুক্রবারে আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে বার্ষিক আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে জানানো হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে সহিংস দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র বিক্ষোভ আন্দোলনে একদল সাহসী নারী ছিলেন মূল চালিকাশক্তি। হুমকি ও সহিংসতা সত্ত্বেও তারা নিরাপত্তা বাহিনী এবং পুরুষ বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে অসাধারণ সাহসিকতা প্রদর্শন করেছিলেন। যখন পুরুষ সহকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তখন এই নারীরা যোগাযোগ অব্যাহত রাখার এবং বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উদ্ভাবনী উপায় খুঁজে পেয়েছিলেন, এমনকি ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সেন্সরশিপ প্রচেষ্টাকে উপেক্ষা করে। অনিশ্চয়তার মধ্যে এই নারীদের সাহসিকতা এবং নিঃস্বার্থতা ছিল সাহসের সংজ্ঞা।

গত ১৯ বছর ধরে আন্তর্জাতিক সাহসী নারী’ পুরস্কার বিশ্বজুড়ে সেসব নারীদের স্বীকৃতি দেয়; যারা ব্যতিক্রমী সাহস, শক্তি এবং নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন- প্রায়শই ব্যক্তিগত ঝুঁকি এবং ত্যাগ স্বীকার করে। ২০০৭ সাল থেকে পররাষ্ট্র দফতর ৯০টিরও বেশি দেশের ২০০ জনেরও বেশি নারীকে পুরস্কার দিয়ে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিদেশে মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলো তাদের নিজ নিজ আয়োজক দেশ থেকে একজন সাহসী নারীকে মনোনীত করে এবং চূড়ান্ত প্রার্থীদের নির্বাচন করা হয় এবং বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুমোদন করেন।